Sunday, June 16, 2019

এই প্রাণীগুলোকে দেখলে প্রথমে দৌড়ে পালান, এরপর সাহায্যের জন্য প্রার্থনা করুন

এখানে শিকারিদের সকলেরই নিজেস্ব নিজেস্ব পদ্ধতি থাকে। কেউ চোখের পলকেই কারো প্রান নিয়ে নেয়। আবার কেউ শিকারকে খুব নির্মম ভাবে হত্যা করে। আজকে আমি আপনাদেরকে এই ভিডিওর মাধ্যমে এমনি কিছু পাখি সম্পর্কে বলবো জাদেরকে কিলার বললে কিছু ভুল হবে না। আর য়ে কিলার পাখিটিকে এই ভিডিওর লাস্টে দেখানো হয়েছে তার শিকার করার পদ্ধতিটা খুবই আজব। আপনি এই বিডিওটিকে অবশ্যই সম্পূর্ণ দেখবেন।

প্যারাগ্রাইন্ড ফারকান,মজবুত ছাতি, মজবুত পা, খুবই ভয়ংকার বান্চা এবং লম্বা পাখা এটি হচ্ছে প্যারাগ্রাইন্ড ফারগান। এটি দুনিয়ার সবচাইতে দ্রুততম পাখি নামে পরিচিত। এই পাখি গুলো বাচ পাখি প্রজাতি গুলোর মধ্যে একটি। এবং জঙ্গলে এরা প্রায় ১৭ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। মেয়ে ফারগান গুলো পুরুষ ফারগান গুলোর থেকে কয়েক গুন বড় হয়। এবং এদের শরীরের দৈর্ঘ ১৩-২৩  ইঞ্চি। এবং এদের পাখা ৩০-৫০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে। এরা থুব দ্রুত শিকার করতে অনেক বেশি পারদর্শী। এদের গতিবেগ প্রায় ৩০০ কিলোমিটার প্রতি ঘন্টায় উড়ে যায়। আকাশে উড়া কোনো কবুতর কিংবা পাখিকে এরা তাদের নিজেদের শুকার বানায়। এরা শিকারকে ধরার জন্য দুই ধরনের পদ্ধতি এপলাই করে থাকে। প্রতম এরা শিকারের পেছন নেয় এভাবে পেছন নিতে নিতে এরা তাদের ঘারে চরে বসে। দ্বিতীয় পদ্ধতিতে ফালগন প্রথমে অনেক উচুতে যায় তারপর আছতে আছতে সে তার শিকারের কাছে চলে যায়। যখনি সে তার শিকারের কাছা কাছি এসে পৌছায় তখন তার স্পীড আরো বাড়তে থাকে। স্পীড এতোই বাড়তে থাকে যে ২৫০-৩০০ কিলোমিটার উত্তির্ন হয়। বর্তমানে এই স্পীড পৃথিবীর যে কোনো পাখির তুলনায় অনেক বেশি।

গোল্ডেন ঈগল, এটি দুনিয়ার সবচাইতে বড়,ভয়ংকার ও দ্রুতগামী পাখি গুলোর মধ্যে একটি। তার শক্তিশালী পাখা তার তীক্ষ নোখ শিকার করার কৌশল প্রদর্শন করে। এ পাখির রাজাত্ব আকাশ এবং মাটির উভয় জায়গাই রয়েছে। এটি একটি এক্সপার্ট কিলার এবং খুবই ভয়ংকার। এরা তাদের শিকারকে ৫ কিলোমিটা অনেক সময় এদেরকে বড় বড় স্তান্নপায়ী পশুদের সাথেও হামলা করা হয়। এটি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে খরগশ, বিষাক্ত সাপ, বিভিন্ন পাখি এবং মধ্যম আকৃতির প্রানী শিকার করে। এদের ছাগল ও মানুষের বাচ্চাদেরকেও আক্রমন করতে দেয়া হয়েছে। যে গুলো দেখতে খুবই ভয়ংকর ছিলো। সর্বপ্রথম এরা তাদের শিকারকে ধরে নিচে ফেলে দেয়। এতো উপর থেকে পড়ার পর কোনো প্রানী বেঁচে থাকতে পারেনা। তারপরই শুরু হয় এই পাখির ভক্ষন।


স্রাইক বার্ড, এটি আকারে অনেক ছোটো। এই পাখিটি একটি পারফেক্ট কিলার। এরা শিকারকে শিকার করার পর খুব দ্রুত খেয়ে ফেলে না। এটি কোনো একটি গাছের কাটার সাথে ঝুলিয়ে রাখে যতক্ষন পর্যন্ত শিকার শুকিয়ে না যায়। আসলে এমন কিছু বিষাক্ত প্রানী থাকে যা সারাসরি খেয়ে ফেললে পাখি অসুস্থ হয়ে মরেও যেতে পারে। তাই এরা শিকারকে কাটার সাথে ঝুলিয়ে রাখে। যখনি এই শিকারের বিষ শুকিয়ে যায় তখন তারা তা ভক্ষন করে। এই পাখিগুলোকে মাঝে মাঝে এমন প্রানীকেও শুকাতে দেয়া হয় যার কোনো বিষ থাকে না। এই পাখিগুলো মাঝে মাঝে এ কাজ করে ফিমেল পাখিকে আকর্ষিত করার জন্য। শিকারকে ধরার পর তাদের শক্ত ঠোঁটের মাধ্যমে শিকারের ঘার মটকে দেয়। এরপর প্রায় ৯/১০ দিনের ভিতর এই শিকারটিকে খেয়ে ফেলে। উত্তর আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া, ও আফ্রিকাতে এই পাখিটিই ৩০ প্রজাতির অধিক পাওয়া গেছে। এবং গ্রেডগ্যাস রাইড এগুলো নর্দান নামেও পরিচিত। নর্দান আমেরিকা, ইউরোপ, এশিয়া ও আফ্রিকাতেও পাওয়া যায়। বন্ধুরা দেখতে যদিও এই পাখিটিকে দেখতে ভয়ংকার লাগে। কিন্তু জীবন বাঁচানোর জন্য একে অপরকে মারাটাই প্রকৃত নিয়ম। বন্ধুরা আপনাদের কোন পাখিটি ভালো লাগলো তা জানাতে কমেন্ট করুন। আর ভিডিওটি ভালো লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন।